ফরিদপুরের মাটি থেকে
২০১৮ সালে কৃষিবিদ মো. মতিনুর রহমানের হাতে ইনসাফ সীডসের শুরু। লক্ষ্যটা সহজ — কৃষকের হাতে এমন বীজ তুলে দেওয়া, যাতে চোখ বুজে ভরসা রাখা যায়।

আগে নিজের মাঠে, তারপর কৃষকের মাঠে
নতুন কোনো জাত বাজারে আনার আগে আমরা নিজেদের প্রদর্শনী প্লটে ফলিয়ে দেখি — এই মাটিতে, এই আবহাওয়ায় জাতটা আসলে কেমন করে।
মাঠ দিবসে কৃষক ও ডিলারদের সেই প্লট ঘুরিয়ে দেখাই। যে জাত নিজের চোখে দেখে যাচাই করা যায়, সেই জাতেই মানুষ ভরসা রাখে।
২০১৮ সাল থেকে৫০+ জাত২০ রকম ফসল
যে কথাগুলো মেনে চলি
প্রতিষ্ঠানের নামেই কথাটা আছে — ইনসাফ।
- সততা আগে
- প্যাকেটে যা লেখা, ভেতরে তা-ই। জাতের নাম, গজানোর হার, ফলনের হিসাব — কোনোটা নিয়েই বাড়িয়ে বলি না।
- মান নিয়ে আপস নয়
- বীজ শোধন থেকে সংরক্ষণ পর্যন্ত প্রতিটি ধাপে মান পরীক্ষা হয়, যাতে কৃষকের হাতে পৌঁছায় সতেজ ও ভালোভাবে গজায় এমন বীজ।
- কৃষকের পাশে
- বীজ বেচেই দায়িত্ব শেষ নয়। কোন জাত কখন বুনবেন, যত্ন কীভাবে নেবেন — ডিলার ও আমাদের কাছে পরামর্শ পাবেন সব সময়।

বীজ থেকে প্যাকেট পর্যন্ত যত্ন
ভালো জাত বাছাই করাই সব নয় — বীজ শোধন, শুকানো, সংরক্ষণ আর প্যাকেটজাত করার প্রতিটি ধাপে গজানোর ক্ষমতা ধরে রাখতে হয়।
এই যত্নের ফলটাই কৃষক পান হাতে-নাতে: বুনলে গজায়, গজালে বাড়ে।
চলুন, একসঙ্গে ভালো ফসল ফলাই
আমাদের বীজ দেখুন, অথবা হোয়াটসঅ্যাপে সরাসরি কথা বলুন।
সকাল ৯টা থেকে সন্ধ্যা ৭টা · শুক্র ও শনিবার বন্ধ